Showing posts with label ফ্যাশন এন্ড স্টাইল. Show all posts
Showing posts with label ফ্যাশন এন্ড স্টাইল. Show all posts

September 19, 2015

পারিবারিক পারভীন

পারিবারিক পারভীন


সাদা–কালো তাঁর প্রিয় রং,  মেয়ের উপহার দেওয়া শাড়ি,  জামদানি শাড়ি তাঁর পছন্দপারভীন মাহমুদ। পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। তিনি ছিলেন দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের (আইসিএবি) প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট। বর্তমানে গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। দেশি শাড়ি তাঁর প্রিয়। অবসরে কবিতা পড়েন, লেখালেখি করেন, গান শোনেন।
পরিবারের সবাইকে নিয়ে থাকতে পছন্দ করেন। পুরোনো বন্ধু-আত্মীয়দের খুঁজে বের করতে শরণাপন্ন হন ফেসবুকের। ফলও পান হাতেনাতে। সদা হাস্যোজ্জ্বল এই মানুষ শুধু পরিবার নয়, চারপাশের মানুষদের নিয়েও ভাবেন। ভেবে বসে না থেকে কাজও করেন সামাজিক উন্নয়নের জন্য। এই অনুপ্রেরণা পেয়েছেন তাঁর মা শামসুন্নাহার রহমান পরানের কাছ থেকে। তিনি ছিলেন সামাজিক ও আর্থিক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান ‘ঘাসফুল’-এর প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর বাড়ি আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের কাছে ‘ভরসার আশ্রয়’।
অফিসে যাওয়ার আগে এমন সাজে দেখা যায় পারভীন মাহমুদকে। ছবি: সুমন ইউসুফ১৪ সেপ্টেম্বর শরতের সকালে পারভীন মাহমুদের ঢাকার গুলশানের বাড়িতে হাজির হই আমরা। ঢোকার মুখেই শিউলিগাছের তলায় পড়ে থাকা ফুল যেন অভ্যর্থনা জানাল। দরজা খুলতেই দেখা গেল সেই হাসি মুখ।
আমাদের জন্য নয়, এমনিতেই সকাল সাতটায় ঘুম থেকে ওঠেন পারভীন মাহমুদ। জানালেন, নাশতার টেবিলে বসেই পরিকল্পনা করে ফেলেন সব কাজের। তাঁর মতে, সফল হতে হলে কাজের পরিকল্পনা ও সময় ব্যবস্থাপনা খুব জরুরি। অনেকে চাকরি করেন, পরিবারকে সময় দিতে পারেন না। আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করার অবকাশ পান না। সময় ব্যবস্থাপনা করে চললে সেটি সম্ভব।
পারভীন মাহমুদ বলেন, ‘সারাক্ষণ কাজের মধ্যেই থাকি। এর ফাঁকে চলতে থাকে সামাজিক কাজগুলো। সব সময় আমার ইচ্ছা ছিল স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করার। এ ছাড়া তৃণমূলের টেকসই উন্নয়নে কাজ করতে চাই।’
পারভীন মাহমুদ কর্মজীবনের শুরুতে ছিলেন ব্র্যাকে। আরও কিছু প্রতিষ্ঠানে কাজ করে যোগ দেন কানাডিয়ান ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সিতে (সিডা)। সেখান থেকে অ্যাকশনএইডের ফিন্যান্সিয়াল কন্ট্রোলার হিসেবে যোগ দেন। একনবিন চার্টার্ড অ্যাকাউন্টসেও দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। এরপর পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনে (পিকেএসএফ) উপব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে প্রায় এক যুগ কাজ করেছেন তিনি।
অফিস সকাল ১০টা থেকে শুরু হলেও একটু আগেই যান। গাড়িতে বসে ঢুকে যান ফেসবুকে। আত্মীয়স্বজনের কোনো ফোন করার থাকলে তখনই তা সেরে নেন।
একটু আগে অফিসে গিয়ে নিরিবিলিতে কিছুক্ষণ কাজ করেন। দিনের কাজ তখনই এগিয়ে রাখেন কিছুটা। অফিস বা যেকোনো অনুষ্ঠানে তিনি জামদানি শাড়ি, সুতি শাড়ি, তসর, প্রাকৃতিক রঙে রাঙানো শাড়ি পরেন। বাড়িতে ট্রাউজার ও সালোয়ার কামিজ পরা হয়। সাজেও তিনি সাদামাটা। চোখে কাজল ও ঠোঁটে লিপস্টিক। মা ও শাশুড়ির কাছ থেকে পাওয়া সোনার গয়না খুব একটা পরা হয় না তাঁর। নানা রঙের মুক্তার গয়না পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে মিলিয়ে পরেন। যেহেতু সময় মেপে চলেন তাই হাতঘড়ি পরতে ভুল হয় না।
নাতি গ্যাব্রিয়েলের সঙ্গেসন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে চেষ্টা করেন হাঁটতে যেতে। নিজেকে ফিট রাখতে তেল মসলাযুক্ত খাবার খুব একটা খান না। ছোট মাছ খেতে ভালোবাসেন। হাঁটতে না গেলে বা বাইরে কোনো কাজ না থাকলে বই নিয়ে বসেন। সময় পেলেই কিছু না কিছু পড়েন। ‘সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্য আপডেট থাকার কোনো বিকল্প নেই।’
চট্টগ্রাম কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করার পর বিয়ে হয় পারভীন মাহমুদের। স্বামী আনিসুল ইসলাম মাহমুদের (বর্তমান পানিসম্পদমন্ত্রী) সঙ্গে চলে যান যুক্তরাজ্যে। পারভীন বলেন, ‘সেখানে গিয়ে অবশ্য লেখাপড়া থেমে থাকেনি। একটা কথা না বললেই নয়, আজকের এই অবস্থানে আসার পেছনে সবচেয়ে বেশি অবদান আমার স্বামীর। সিএ তাঁর আগ্রহেই পড়া হয়েছে। লন্ডনে গিয়ে এ-লেভেল, ও-লেভেল শেষ করি। সিএর প্রথম পার্টও শেষ হয়। আমার স্বামী যুক্তরাজ্যে শিক্ষকতা করতেন। আমার শাশুড়ি অসুস্থ হয়ে পড়লেন। আমি চলে আসি দেশে।’
দুই ছেলেমেয়ে শামা ও শামসের জন্য লেখাপড়ার মাঝখানে সাত বছর বিরতি দিয়েছিলেন। আবার লেখাপড়া শুরু করে সিএ পরীক্ষা দিলেন। পাসও করলেন। ‘আমি পারিবারিক মানুষ। পরিবারের জন্য সব ত্যাগ স্বীকার করতে পারি। সবাইকে নিয়ে থাকব, সবাই ভালো থাকবে—এটাই তো আসল।’ বলেন তিনি।
কাজপাগল এই মানুষ সময় পেলে বাগান করেন। লেখালেখি করেন। তাঁদের পারিবারিক ইতিহাস নিয়ে একটি বই লিখছেন।
জীবনানন্দ দাশের কবিতা তাঁর ভালো লাগে। নিজেও কবিতা লেখেন, ছবি আঁকেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, হুিমায়ূন আহমেদ ও ঝর্ণাদাশ পুরকায়স্থ তাঁর প্রিয় লেখক। রবীন্দ্রসংগীত ও পুরোনো দিনের গান শুনতে ভালোবাসেন।
আজকাল অবশ্য অবসর মানেই গ্যাব্রিয়েলের সঙ্গে সময় কাটানো। গ্যাব্রিয়েল তাঁর মেয়ে শামার ছেলে। নাতি এলে ওর সঙ্গে ছবি আঁকা, ছড়া পড়া, খেলা—এটাই বড় কাজ তাঁর কাছে। এত আনন্দ অন্য কিছুতে পান না তিনি।

নতুন পোশাক

| প্রিন্ট সংস্করণ
উজ্জ্বল রঙে আরামদায়ক পোশাক পাবেন শিশুদের জন্য। মডেল: অারফা, তাসফিয়া ও নুমায়ের, পোশাক: লা রিভ, ছবি: কবির হোসেনপোশাকের জন্য এই ঈদে বরাদ্দ কমই। তবু বাড়ির ছোট্ট সদস্যটির জন্য নতুন একটা পোশাক কেনা হয়তো হবেই। তবে ঈদ হলেও এই গরমে বেশ জমকালো পোশাক শিশুর জন্য না কেনাই ভালো। তাতে অবশ্য উৎসবের আমেজ কমবে না। নানা রঙে বর্ণিল ও বেশ আরামদায়ক পোশাকই পাবেন শিশুদের জন্য।
ফ্যাশন হাউস লা রিভের ডিজাইন বিভাগের প্রধান মুন্নুজান নার্গিস বলেন, ‘ছোটরা রঙিন পোশাক পরতে ভালোবাসে। সাধারণ সুতি বা লিনেন কাপড়েও ফুটিয়ে তোলা যায় পোশাকের উজ্জ্বলতা। সেই ভাবনা থেকেই এবার ঈদে শিশুদের পোশাকের সংগ্রহ সাজানো হয়েছে। এ ছাড়া ঈদের সময়ে গুমোট গরম থাকতে পারে। অনেকে পরিবার নিয়ে গ্রামে যাবেন, লম্বা ভ্রমণে শিশুর জন্য আরাম নিশ্চিত করেই পোশাকের নকশা করা হয়েছে।’
উজ্জ্বল রঙে আরামদায়ক পোশাক পাবেন শিশুদের জন্য। ছবি: কবির হোসেনভারী কারুকাজ করা পোশাক নয়, এর বদলে শিশুর জন্য আরামদায়ক কোনো পোশাক বেছে নেওয়ার পরামর্শ দিলেন ফ্যাশন ডিজাইনাররা। বাজেট কম? সেখানেও সমস্যা নেই। ফ্যাশন হাউস রঙের স্বত্বাধিকারীদের একজন ডিজাইনার বিপ্লব সাহা মনে করেন, শিশুদের পোশাকের বাজেটটা এবার কম থাকলেও চলবে। কারণ, তাদের পোশাকে নানা ধরনের দেশি উপকরণ ব্যবহারের ফলে তৈরির খরচ খানিকটা কমে গেছে। দামটাও তাই একটু কম হতে পারে।

পোশাকের কাটেও বৈচিত্র্য আছেধরন যেমনমেয়েশিশুদের পোশাকে এবার হাতাকাটা নানা ধরনের ফ্রকের ওপরে আছে খাটো কটি। সুতি কাপড়ের খাটো ফ্রকের মধ্যে ভিন্ন রঙের ফিতা ও একটা ফুল দিয়ে উজ্জ্বলতা বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া কাঁধের একদিকে লম্বা ফিতায় বাঁধা ফুলও সুন্দর দেখাবে। ফুল ও বলের প্রিন্ট আছে ফ্রক ও প্যান্টে। একরঙা হাতাকাটা পোশাকের কোমরের দিকে রাবারের কুচিতেও উজ্জ্বল দেখাবে। এ ছাড়া মেয়েশিশুদের লেগিংস-টপ সেটগুলোও বেশ আকর্ষণীয়। ছেলেশিশুদের শার্ট ও টি-শার্টে বেশ বৈচিত্র্য আছে। টি-শার্টের কলার ও পকেটের ওপরে একই ধরনের প্রিন্টের দেখা মিলছে। শার্টের ওপরেও বিভিন্ন ধরনের প্রিন্ট আছে। হাফ হাতা শার্টের হাতার শেষে ভিন্ন রঙের কাপড় জুড়ে দিয়েও নকশা করা হয়েছে। পুরো পাঞ্জাবিজুড়ে কারুকাজ চলছে না, বরং বুকের কাছে সামান্য একটু কাজই দেখা যাচ্ছে। ছেলেদের জন্য হাতাকাটা ফতুয়াও আছে। একরঙা এসব ফতুয়ার মধ্যে হয়তো একটা ছড়ার লাইন বা একটা ফুল, পশু বা পোকার ছবি আঁকাঁ।

দরদামমেয়েদের ফ্রক কেনা যাবে ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৮০০ টাকায়। ছোট্ট মেয়েদের সালোয়ার–কামিজও পাওয়া যায়। দাম পড়বে ৫০০ থেকে ২০০০ টাকা। ছেলেদের টি-শার্ট গোল গলা হলে ১৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা, পোলো টি-শার্টের দাম ২৫০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা। শার্ট কিনতে চাইলে দাম পড়বে ৫৫০ টাকা থেকে ১৪০০ টাকায়। আর পাঞ্জাবির দাম শুরু হবে ৫০০ টাকা থেকে। তবে কম কারুকাজের পাঞ্জাবি কেনা যাবে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যেই।

পোশাকের কাটেও বৈচিত্র্য আছেযেখানে পাবেনদেশের অনেকগুলো ব্র্যান্ড এখন শিশুদের পোশাকের আলাদা সংগ্রহ রাখছে। এর মধ্যে যেতে পারেন লা রিভ, মায়াসির, ক্যাটস আই কিডস, মেনজ ক্লাব, শৈশব, দেশাল, যাত্রা, রঙ, কে–ক্র্যাফট, নগরদোলা, আড়ং, অন্যমেলা, কিডস জোনে। এ ছাড়া পাবেন ঢাকার নিউমার্কেট, নূরজাহান মার্কেটের নিচতলা, এলিফ্যান্ট রোড, বেইলি রোড, মিরপুর ১০ থেকে মিরপুর ২ পর্যন্ত বিভিন্ন শোরুমে। শপিং মলগুলোতে তো আছেই।

ঘড়ির তালে জীবন চলে

ঘড়ির তালে জীবন চলে

  | প্রিন্ট সংস্করণ
ডা. সামন্ত লাল সেনের প্রিয় পোশাক শার্ট। ছবি: সুমন ইউসুফডা. সামন্ত লাল সেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক। বর্তমানে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়কারী। রঙিন পোশাক পরতে পছন্দ করেন। অবসরে পুরোনো দিনের গান শোনেন। তিন বেলা পাতে চান ডাল-ভাত।
তাঁকে দেখলে মনে হবে রাসভারী মানুষ। কিন্তু রোগীদের কাছে ঠিক উল্টো। ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ডা. সামন্ত লাল সেন কথাটি গুছিয়ে বললেন এভাবে—‘রোগীর সঙ্গে ডাক্তারের সম্পর্কটা বন্ধুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত। অনেকে আমাকে দেখে আশ্চর্য হয়েছেন। ঠিক যেমনটি ভেবে চেম্বারে এসেছেন, আমি নাকি তার বিপরীত!’
বেশির ভাগ পোশাক মেয়েই কিনে দেনসামন্ত লাল সেনের দিন চলে ঘড়ির কাঁটা ধরে। ছোটবেলা থেকে মেনে চলেছেন বইয়ে পড়া চিরন্তন প্রবাদ বাক্যটি—আর্লি টু বেড অ্যান্ড আর্লি টু রাইজ...। ভোরে ঘুম থেকে উঠে তিনি প্রার্থনা পর্ব সারেন। কখনো বেরিয়ে পড়েন হাঁটতে। এরপর প্রস্তুতি নেন হাসপাতালে যাওয়ার। ঢাকার ইন্দিরা রোডে নিজের বাড়িতে বসে তিনি বলতে থাকেন, ‘কর্মজীবনে আমি কখনো দেরি করিনি। এখনো অফিসে যাওয়ার সময় হিসাব করেই বাসা থেকে বেরোই।’ গাড়িতে বসেই তিনি চোখ বুলান দৈনিক পত্রিকাগুলোর পাতায়। সার্বক্ষণিক সঙ্গী আইপ্যাডে খোঁজ করেন হালনাগাদ তথ্য। এই যন্ত্রটির একটি অ্যাপ প্রতিদিন ব্যবহার করেন! সেটি হলো পেেসন্স খেলার অ্যাপ।
‘হাসপাতালে যাওয়ার আগেই আইপ্যাডে একবার পেেসন্স খেলার চেষ্টা করি। এটা আমার প্রতিদিনের রুটিন। যেদিন পেসেন্স মিলে যায়, মনে হয় দিনটি আজ ভালো যাবে!’ মুখে স্বভাবসুলভ হাসি ধরে রেখে বলতে থাকেন ডা. সামন্ত লাল সেন।
রঙিন পোশাক পরতে তিনি পছন্দ করেন। প্রিয় পোশাক টি-শার্ট, শার্ট আর জিনস। ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে পাঞ্জাবি পরেন। তবে পোশাক বা নিত্যব্যবহারের আনুষঙ্গিক জিনিস কেনার ব্যাপারে তাঁর বিশেষ কোনো আগ্রহ নেই। কারণ, তাঁর প্রয়োজনীয় সবকিছু পরিবারের সদস্যরাই কিনে থাকেন। ‘আমার রুচি সম্পর্কে মেয়ে নবনীতা ভালো জানে। পোশাকগুলো বেশির ভাগ মেয়েই কিনে দেয়।’ বলেন সামন্ত লাল সেন।
নাতনি সাহার্শার সঙ্গেপছন্দের খাবারের তালিকা সাদামাটাই। ভাত, ডাল, বোয়াল মাছ—এই হলো তাঁর প্রিয় খাবার। দিনের তিন বেলায়ই ভাত চান পাতে। তাঁর ভাত-প্রীতি এমনই, দেশের বাইরে গেলেও রেস্তোরাঁগুলোতে বাঙালি খাবার খুঁজে বেড়ান।
কাজের বাইরে ঘুরতে যাওয়ার ফুরসত তিনি খুব কমই পান। তবে সময় পেলে চলে যান প্রিয় শহর লন্ডনে। যেখানেই যান, ভ্রমণে পুরো পরিবারকে সঙ্গে রাখেন সব সময়।
ফুটবলে মোহামেডানের গোঁড়া সমর্থক সামন্ত লাল সেন। অবসরে বাসায় ক্রিকেট খেলা দেখেন নিয়মিত। শোনেন পুরোনো দিনের গান। এখনো গুনগুন করেন সিলেটের আঞ্চলিক ভাষার গানও। এ ছাড়া কোথাও কীর্তন আয়োজন হচ্ছে জানলে হাজির হন সেখানে।
প্রিয় সঙ্গী আইপ্যাড, মাঝে মধ্যে পাঞ্জাবি পরেন